প্রবন্ধনীরবতার ঋতু · অগ্রহায়ণ ১৪৩৩
নীরবতার ব্যাকরণ: আধুনিক বাংলা কবিতায় শূন্যস্থান
নজ
নুসরাত জাহান
সদস্য নং NA-0037
১ নভেম্বর ২০২৬ · ১ মিনিটের পাঠ
কবিতায় যা লেখা হয় না, তা-ই কি সবচেয়ে বেশি কথা বলে? এই প্রশ্নটি নতুন নয়, কিন্তু আধুনিক বাংলা কবিতার প্রেক্ষিতে এর উত্তর ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছে।
জীবনানন্দ দাশের কবিতায় আমরা দেখি, পঙ্ক্তির শেষে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ঝুলে থাকে। পাঠক সেখানে থামেন, ভাবেন, এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে সেই শূন্যস্থান পূরণ করেন।
শূন্যস্থানের রাজনীতি
শূন্যস্থান কেবল নান্দনিক কৌশল নয়। যে সমাজে সব কথা বলা যায় না, সেখানে নীরবতা হয়ে ওঠে প্রতিরোধের ভাষা।
নীরবতা কখনও কখনও সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ প্রতিবাদ।
পরবর্তী প্রজন্মের কবিরা এই উত্তরাধিকারকে নতুনভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁদের লেখায় সাদা পাতা নিজেই এক চরিত্র।
◦
লেখক পরিচিতি
নুসরাত জাহান — প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক। বাংলা গদ্যের বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করছেন।